রবিবার, ৩রা মার্চ, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম

জাদুকর এমপি এম এ মান্নানের পাল্লা ভারি।

মো,আলী হোসেন খান:

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে গত ১৮ ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দ দেয় বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন। তবে ভোটের আলাপ শুরু হয়েছে আরও আগ থেকে। এই আলাপচারিতায় লোকজন এবারও সুনামগঞ্জ ৩ (জগন্নাথপুর শান্তিগঞ্জ) বর্তমান সংসদ সদস্য,পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নানকে আশা করছেন।
সাধারণ মানুষ বলছেন, এমপি মান্নান এলাকার উন্নয়নে পরীক্ষিত নেতা। তিনি গত ১০ বছরে যে পরিমাণ উন্নয়ন করেছেন তা অন্য কোনো সরকারের আমলে হয়নি।
এ কারণে আমরা আবারও তাকেই নির্বাচিত করতে চাই।

জানা গেছে, এই আসনে এবার ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন ফরম কিনেছিলেন ৪ জন নেতা। এদিক থেকে ফের আওয়ামী লীগের দলীয় প্রতীক নৌকা পেয়েছেন দুই বারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য এম এ মান্নান। গত ১৮ ডিসেম্বর সকালে জেলা রির্টানিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া মাত্রই শুরু করেছেন প্রচার-প্রচারণা। প্রতিক বরাদ্দের পর থেকেই সকল দলের মাইকিং চলছে। তবে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মিরা তাদের নৌকা প্রতীক সম্বলিত ফেস্টুন ও বিলবোর্ড আগে থেকে তৈরি রাখার সুবাদে প্রথম দিনই বিভিন্ন জায়গায় সেটে দিয়েছেন।

তবে এই আসনে নৌকা সাথে ৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন তারা হলেন তৃণমূল বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এড মাওলানা শাহীনুর পাশা চৌধুরী (সোনালী আঁশ প্রতীক)  জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী তৌফিক আলী মিনার (লাঙ্গল প্রতীক) বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী তালুকদার মকবুল হোসেন ( কাঠাল প্রতীক) তারা এই আসনে সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। তবে তাদের জনপ্রিয়তা খুব একটা লক্ষণীয় নয়।

জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জ উপজেলার ভোটাররা বলছেন, দেশ স্বাধীনের পর সুনামগঞ্জ-৩ আসনে এমপি অনেকেই নির্বাচিত হয়েছেন। এম এ মান্নানের মতো এতো উন্নয়ন কেউ করতে পারেনি। তিনি অপরদিকে উন্নয়নের রূপকারও বটে। সবমিলে এবারও তার পাল্লা ভারি বলে মন্তব্য করেছেন ভোটাররা।

জগন্নাথপুর উপজেলার একাধিক নেতৃবৃন্দ জানান, এমপি মান্নান এলাকার উন্নয়নে একজন পরীক্ষিত নেতা। সরকারিভাবে অসংখ্য উন্নয়নের পাশাপাশি ব্যক্তিগতভাবে বহু মানুষকে আর্থিক সহায়তা করেছেন। বিশেষ করে তার নিজস্ব অর্থায়নে সংসদীয় আসনের বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা, রোগীর চিকিৎসা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য লক্ষ লক্ষ টাকা দান করেছেন। সুনামগঞ্জ-৩ সংসদীয় আসনের সাধারন মানুষের কথা বললে তারা জানায়, দেশ স্বাধীনের পূর্ব থেকেই এই এলাকাটি ছিল অবহেলিত। কোন উন্নয়ন দেখা না মিললেও গত ২০১৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এমপি মান্নান নৌকা প্রতীক নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর নির্বাচনী এলাকার অভূতপূর্ব উন্নয়ন করার পাশাপাশি শত প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে ২০১৮ সালের সংসদ নির্বাচনে আবারও নৌকা প্রতীক নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে তার সমগ্র নির্বাচনী এলাকার উন্নয়নসহ এই এলাকার মাটি ও মানুষের অবকাঠামোগত উন্নয়নে এলাকাবাসীর ভাগ্যের পরিবর্তনে তিনি বিরামহীন ছুটে চলা এক যোদ্ধা। তিনি এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে উন্নয়নমূলক কাজে তার আন্তরিকতার কোন কমতি দেখা যায়নি। নির্বাচনী এলাকাকে শতভাগ বিদ্যুতের আওতায় এনেছেন। এলাকার উন্নয়নে বাস্তবায়ন করা হয়েছে হাজার হাজার কোটি টাকার প্রকল্প। এসব প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে রাস্তঘাট, শতভাগ বিদ্যুৎ সংযোগ, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম, ঘরে ঘরে নলকূপ,ওয়াটার সাপ্লাই,  মাদ্রাসাসহ একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ, মসজিদ, মন্দির, হাসপাতাল, গোরস্থান, ঈদগাহ সংস্করণ, সেতু, হাটবাজার, মুক্তিযোদ্ধা ভবন , খাল খনন ও পানি ব্যবস্থাপনা, নির্বাচনী এলাকার প্রবাহিত নদিরগুলোর উপর সেতু সহ সকল প্রকার টেকসই উন্নয়নগুলো আজ দৃশ্যমান।

উন্নয়নের জাদুকর এমপি এম এ মান্নান  জাদুস্পর্শে সকল প্রকার সড়কের অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে। শেখ হাসিনার স্নেহভাজন এমপি মান্নান এলাকার উন্নয়নে প্রচেষ্টার কোনো ত্রুটি নেই। গ্রামের দরিদ্র ও অসহায় মানুষের চিকিৎসার বড় আশ্রয়স্থল উপজেলা হাসপাতালকে ঢেলে সাজিয়েছেন। শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধি, আধুনিক অবকাঠামো নির্মাণ, অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি সরবরাহ ও পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিতকল্পে জোরালো ভূমিকা রাখছেন। শত প্রতিবন্ধকতা পদদলীত করে আবারো নির্বাচনী এলকার মানুষের প্রত্যাশা পূরণে দৃঢ় প্রতিজ্ঞায় এমপি মান্নান ।
জগন্নাথপুর গ্রামের বাসিন্দা প্রবীণ আওয়ামী লীগের নেতা আব্দুল জলিল বলেন জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জে নানা জনকল্যাণকর কাজের করণে তার জনপ্রিয়তা সকল প্রার্থীর শীর্ষে। আমরা আশা করছি, এ অঞ্চলের মানুষ এলাকার উন্নয়নের কথা চিন্তা করে আবারও তাকেই নৌকা প্রতীকে বিজয়ী করবেন।

তারিখ
২৫/১২/২০২৩
মো,আলী হোসেন খান
জগন্নাথপুর, সুনামগঞ্জ

সংশ্লিষ্ট সংবাদ