jagannathpurpotrika-latest news

আজ, , ১৬ই জিলক্বদ, ১৪৪০ হিজরী

সংবাদ শিরোনাম :
«» আল্লামা শায়খ যিয়া উদ্দিনের বর্ণাঢ্য জীবন ও কর্ম নিয়ে লিখিত জীবনী স্মারকের মোড়ক উন্মোচন ৮ আগস্ট «» রাজনৈতিক সংকট এখন রাজনৈতিক শূন্যতায় পরিনত হয়েছে- মাওলানা ইসহাক «» বিশ্বনাথে এইচএসসিতে দুই বোনের জিপিএ-৫ লাভ «» দক্ষিণ সুনামগঞ্জে শতাধিক পরিবারে আল হান্নান ইসলামী সমাজ কল্যাণ সংস্থার ত্রাণ বিতরন «» মৌলভীবাজারে সিজারে টানা হেচড়ায় নবজাতকের গলা কেটে মৃত্যু «» প্রিতমের গোল্ডের জিপিএ-৫ লাভ «» জগন্নাথপুরে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে পানিবন্দি অসহায় মানুষের কাছ থেকে কিস্তি আদায় করছে এনজিও সংস্থা আশা «» বিশ্বনাথে সরকারি জায়গায় অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ «» ছাতকে নদী থেকে লাশ উদ্ধার  «» ওসমানীনগরে ৩২টি প্রতিষ্ঠানে পাঠদান বন্ধ




জগন্নাথপুরের মিরপুর ও বিশ্বনাথের দশঘর ইউনিয়ন নির্বাচনের দাবি

মো.শাহজাহান মিয়া :: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার মিরপুর ও বিশ্বনাথ উপজেলার দশঘর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের দাবিতে ফুসে উঠেছেন ইউনিয়নবাসী। মামলা সংক্রান্ত জটিলতায় দীর্ঘ প্রায় ১৭ বছর ধরে মিরপুর ও দশঘর ইউনিয়নের নির্বাচন হচ্ছে না। যে কারণে কাঙ্খিত উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন ইউনিয়নবাসী। সেই সাথে পুরনো জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে অনেকে বেঁচে নেই। আবার অনেকে চলে গেছেন বিদেশে। যারা আছেন তারা বার্ধক্যজনিত কারণে ভূগছেন। যে কারণে কাঙ্খিত উন্নয়ন ও জনসেবা থেকে বঞ্চিত ইউনিয়নবাসী নির্বাচনের দাবিতে অনেক আন্দোলন করেছেন। তাতেও কাজ হচ্ছে না। এ নিয়ে জনমনে ক্ষোভ ও হতাশার সৃষ্টি হয়েছে। যদিও প্রতিটি জাতীয় ও উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে এ দুই ইউনিয়নবাসী ভোট দিলেও তারা ইউনিয়ন নির্বাচন থেকে বঞ্চিত রয়েছেন।

 

 

জানাগেছে, ২০০২ সালে মিরপুর ইউনিয়ন পরিষদের সর্বশেষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এ নির্বাচনে উপজেলা আ.লীগের সভাপতি আকমল হোসেন নির্বাচিত হন। পরে উপজেলা নির্বাচনে অংশ নেয়ার জন্য আকমল হোসেন পদত্যাগ করেন। এ সময় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পান ইউপি সদস্য নছির মিয়া। নছির মিয়ার মৃত্যু হলে ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পান ইউপি সদস্য জমির উদ্দিন। এর মধ্যে আরেক ইউপি সদস্য আবদুল কাদির মৃত্যুবরণ করেন এবং ইউপি সদস্য হারুন মিয়া ও আরশ মিয়া স্থানীয়ভাবে যুক্তরাজ্যে চলে যান। বর্তমানে বাকি যারা আছেন তারা বার্ধক্যজনিত কারণে ভূগছেন। এতে প্রায় অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

 

এদিকে-২০০৭ সালে তত্বাবধায়ক সরকারের আমলে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে ভোটার তালিকা প্রণয়নের কাজ শুরু হয়। এ সময় সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি হয়, যে এলাকার মানুষ সে এলাকার ভোটার হতে হবে। এমতাবস্থায় মিরপুর ইউনিয়নের লহরি গ্রামের প্রায় ২০০ জন ভোটার বিশ^নাথ উপজেলার দশঘর ইউনিয়নে ভোটাধিকার ছিলেন। তাদেরকে কেটে আবার মিরপুর ইউনিয়নে আনা হয়। এ সময় লহরী গ্রামের আবদুল মানিক নামের এক ব্যক্তি হাইকোর্টে মামলা করেন। এরপর থেকে জগন্নাথপুর উপজেলার মিরপুর ও বিশ্বনাথ উপজেলার দশঘর ইউনিয়নের নির্বাচন স্থগিত করা হয়। যদিও দীর্ঘ ১৭ বছর নির্বাচন না হওয়ায় জনমনে ক্ষোভ ও হতাশার সৃষ্টি হয়েছে। এ ব্যাপারে মিরপুর ইউনিয়ন পরিষদের সচিব সুধন চন্দ্র সরকার বলেন, পর্যাপ্ত জনপ্রতিনিধি না থাকায় জনসেবা দিতে গিয়ে আমাদেরকে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

 

 

অবশেষে গত প্রায় ৪ মাস আগে হাইকোর্ট থেকে ১৮০ দিনের মধ্যে নির্বাচন হওয়ার একটি রায় হয়। তবে মামলার বাদী আবদুল মানিক নির্দিষ্ট সময়ের পরে গিয়ে আপিল করেন। এ ব্যাপারে জগন্নাথপুর উপজেলা আ.লীগের অর্থ সম্পাদক মিরপুর ইউনিয়নের মাহবুবুল হক শেরিন বলেন, আগামী ২৪ জানুয়ারি আবারো শুনানী হবে। আশা করছি এবার জনগণের পক্ষে রায় দিবেন আদালত। তবে যেহেতু নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আপিল হয়নি, সেহেতু নির্বাচনের তপশিল ঘোষণার জন্য নির্বাচন কমিশনের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ