jagannathpurpotrika-latest news

আজ, , ১৭ই শাওয়াল, ১৪৪০ হিজরী

সংবাদ শিরোনাম :
«» দক্ষিণ সুনামগঞ্জের পাগলায় দু’পক্ষের সংঘর্ষে স্কুল ছাত্র নিহত, আহত ১৫ «» জগন্নাথপুরে অগ্নিকান্ডে ৩ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি «» জগন্নাথপুর থানার এসআই আতিকুল আলমকে সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার সম্মাননা স্মারক ও সনদপত্র প্রদান «» জগন্নাথপুর থানার এসআই অনুজ কুমার দাশকে সুনামগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠ এসআই হিসাবে সম্মাননা স্মারক ও সনদপত্র প্রদান «» সুনামগঞ্জে জামেয়া অষ্টগ্রাম শাখাইতির মুমতাজপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ «» জগন্নাথপুর থানার ওসি ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জের সম্মাননা স্মারক ও সনদপত্র পেয়েছেন «» জগন্নাথপুরে পুলিশের অভিযানে ৬ জুয়াড়ি গ্রেফতার «» ৩০ লাখ শহীদকে চিহ্নিত করার পরিকল্পনা নেয়া হচ্ছে: সংসদে প্রধানমন্ত্রী «» নবীগঞ্জে কৃষকের তালিকায় জনপ্রতিনিধি, রাজনীতিবিদ ও প্রবাসিরা «» লক্ষ্য অর্জনে ছাত্রদের কঠোর পরিশ্রম করতে হবে দারুল ফালাহ’র সবক প্রদান অনুষ্ঠানে- আল্লামা মুহিব্বুল হক গাছবাড়ী




জুম্মার নামাজে হেঁটে যাওয়ার ফজিলত

প্রত্যেক মুসলমানের জন্য জুমার দিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মুসল্লিদের জন্য জুম্মার নামাজে হেঁটে উপস্থিত হওয়া উত্তম ও ফজিলতপূর্ণ। রাসূল (সা.) হেঁটে জুম্মার নামাজ আদায় করতে যেতেন আর তাই এটি আমাদের জন্য সুন্নত। তবে মসজিদ যদি গৃহ থেকে বেশি দূরে হয়, তবে কষ্ট করে হেঁটে যাওয়ার প্রয়োজন নেই।

 

এ বিষয়ে রাসূল (সা.) বলেন, ‌‘যে ব্যক্তি জুম্মার দিন গোসল (ফরজ) অথবা (সাধারণ) গোসল করল, তাড়াতাড়ি মসজিদে গেল অথবা যাওয়ার চেষ্টা করল, যাওয়ার পথে কোনো কিছুতে আরোহন না করে হেঁটে গেল, ইমামের কাছে ঘেঁষে বসল, কোনো প্রকার অহেতুক কথাবার্তা না বলে মনোযোগের সঙ্গে খুতবা শুনলো ও নামাজ আদায় করল, তার প্রতিটি কদমের (পদক্ষেপ) বিনিময়ে এক বছর রোজা ও নামাজের সওয়াব দেয়া হবে। (তিরমিজি, হাদিস নম্বর : ৪৫৬)

 

রাসুল (সা.) এর প্রিয় সাহাবি আবদুল্লাহ ইবনে রাওয়াহা (রা.) অন্যান্য সাহাবায়ে কেরামের মতো হেঁটে মসজিদে আসতেন। তবে ফেরার পথে কখনো হেঁটে যেতেন, আবার কখনো আরোহন করে যেতেন। (ইবনে আবি শায়বা)।

 

হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, যখন নামাজ শুরু হয়, তখন দৌঁড়ে গিয়ে নামাজে যোগদান করবে না, বরং হেঁটে গিয়ে নামাজে যোগদান করবে। সালাতে ধীর-স্থিরভাবে যাওয়া তোমাদের জন্য অপরিহার্য। কাজেই জামাআতের সঙ্গে নামাজ যতটুকু পাও তাই আদায় কর। আর যা ছুটে গেছে তা পূর্ণ করে নাও।’ (বুখারি)

 

নামাজের জামাআতে অংশগ্রহণের জন্য তাড়াহুড়া করতে নিষেধ করেছেন মহানবী (সা.)। তাই মুসলিম উম্মাহর উচিত পায়ে হেঁটে, ধীরে-সুস্থে মসজিদে গিয়ে জুম্মার নামাজ আদায় করার মাধ্যমে ফজিলত লাভ করা।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ