jagannathpurpotrika-latest news

আজ, , ১৭ই শাওয়াল, ১৪৪০ হিজরী

সংবাদ শিরোনাম :
«» দক্ষিণ সুনামগঞ্জের পাগলায় দু’পক্ষের সংঘর্ষে স্কুল ছাত্র নিহত, আহত ১৫ «» জগন্নাথপুরে অগ্নিকান্ডে ৩ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি «» জগন্নাথপুর থানার এসআই আতিকুল আলমকে সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার সম্মাননা স্মারক ও সনদপত্র প্রদান «» জগন্নাথপুর থানার এসআই অনুজ কুমার দাশকে সুনামগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠ এসআই হিসাবে সম্মাননা স্মারক ও সনদপত্র প্রদান «» সুনামগঞ্জে জামেয়া অষ্টগ্রাম শাখাইতির মুমতাজপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ «» জগন্নাথপুর থানার ওসি ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জের সম্মাননা স্মারক ও সনদপত্র পেয়েছেন «» জগন্নাথপুরে পুলিশের অভিযানে ৬ জুয়াড়ি গ্রেফতার «» ৩০ লাখ শহীদকে চিহ্নিত করার পরিকল্পনা নেয়া হচ্ছে: সংসদে প্রধানমন্ত্রী «» নবীগঞ্জে কৃষকের তালিকায় জনপ্রতিনিধি, রাজনীতিবিদ ও প্রবাসিরা «» লক্ষ্য অর্জনে ছাত্রদের কঠোর পরিশ্রম করতে হবে দারুল ফালাহ’র সবক প্রদান অনুষ্ঠানে- আল্লামা মুহিব্বুল হক গাছবাড়ী




মেয়েদের কপালে টিপ ও তার ব্যবহার শুরুর ইতিকথা- মোঃ মিজানুর রহমান মিজান

মহান আল্লাহ তায়ালা মানবজাতিকে তাঁর প্রতিনিধি হিসেবে ইবাদত-বন্দেগির জন্য এ দুনিয়াতে প্রেরণ করেছেন। ইবাদতের উদ্দেশ্যে প্রেরিত মানবজাতিকে হেদায়ত তথা সঠিক পথে পরিচালিত করতে যুগে যুগে নবী-রাসুলগণও প্রেরণ করেছিলেন। সকল নবী-রাসুলগণের জন্য মহান আল্লাহ তায়ালা কর্তৃক কম-বেশি পরীক্ষা সংগঠিত হয়েছে, তার মধ্যে হযরত ইব্রাহীম (আঃ) কে অগ্নিকূপে নিক্ষেপের ঘটনা অন্যতম।

 

হযরত ইব্রাহীম (আঃ) কে আগুনে পুড়িয়ে মারার জন্য নমরুদ যখন ৮ মাইল পরিমান জায়গায় আগুন জ্বালালো,তখন একটা নতুন সমস্যা দেখা দিল। আগুনের উত্তাপ এতই বেশি ছিল যে তার কাছে পৌছানো যাচ্ছিল না। তাই একটা চরক বানানো হল যার মাধ্যমে ইব্রাহীম (আঃ) কে ছুড়ে আগুনে নিক্ষেপ করা যায়। কিন্তু রহমতের ফেরেশতারা চরকের একপাশে ভর করে থাকায় চরক ঘুরানো যাচ্ছিল না।
তখন শয়তান সেখানে উপস্থিত হয়ে কিছু নগ্ন মহিলা (পতিতা) চরকের সামনে বসিয়ে দিতে নমরুদকে পরামর্শ দিল।কারন এ অবস্থায় রহমতের ফেরেশতারা সেখানে থাকতে পারবে না। তার কুপরামর্শে তাই করা হলো এবং ফেরেশতারা সেখান থেকে চলে গেলে ইব্রাহীম (আঃ) কে আগুনে নিক্ষেপ করতে তারা সক্ষম হলো। কথিত ঐ মহিলাদেরকে পরবর্তীতে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা দান করা হয়েছিল এবং তাদের মাথায় তিলক পরানো হয়েছিল যা এখন আমাদের কাছে টিপ নামে সমধিক পরিচিত।

 

আমাদের বর্তমান সমাজে একশ্রেণির প্রগতিবাদীরা আছেন যারা মহিলাদের সৌন্দর্য সব জায়গায় বিরাজমানের দোহাই দিয়ে টিপ কে নিজেদের জন্য বৈধ মনে করে যুগযুগ ধরে কোন পরিচয় বহন করছেন,তা কী একবার ভেবে দেখেছেন?

 

পতিতার পরিচয় বোঝানোর জন্য যে টিপ ব্যবহার করা হয়েছিল আজ তা আমাদের উপমহাদেশে ফ্যাশন!

ওহে! মুসলিম নারীরা, এই সত্য কথাটা জানার পর ও কি আপনি আপনাদের কপালে টিপ পড়বেন?

তথ্যসূত্রঃ * হযরত ইব্রাহীম (আঃ) মূলগ্রন্থ। *আদি গ্রন্থ, কাসাসুল আম্বিয়া। *আদি ইসলামী ইতিহাস।

 

লেখকঃ শিক্ষক ও কলামিষ্ট, মোবাঃ 01712148023

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ