jagannathpurpotrika-latest news

আজ, , ২১শে শাবান, ১৪৪০ হিজরী

সংবাদ শিরোনাম :
«» বালাগঞ্জে খেলাফত মজলিসের মিসবাহকে সভাপতি ও অফিককে সেক্রেটারি নির্বাচিত করে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন «» জগন্নাথপুরে স্কুল ছাত্রী ধর্ষণে ধর্ষক গ্রেফতার «» হবিগঞ্জে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন «» ড. রেজা কিবরিয়া হচ্ছেন গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক «» দক্ষিণ সুনামগঞ্জে অবৈধস্থাপনা উচ্ছেদ «» বালাগঞ্জে ছাত্রদল নেতা জাকারিয়াকে বিদায় সংবর্ধনা প্রদান «» একজন মোকাব্বির খান ও বিএনপির সংসদে যোগদান : মুক্তাদীর অাহমদ মুক্তা «» জগন্নাথপুরে পলাতক আসামি গ্রেফতার «» জগন্নাথপুরে বিএনপি নেতা মঞ্জুর কবিরীর মৃত্যুতে শোক সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত «» সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের মেয়াদ উত্তীর্ণ : নতুন কমিটি গঠনের দাবি




প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নুসরাতের পরিবারের সাক্ষাৎ

ডেস্ক রিপোর্ট :: অগ্নি সন্ত্রাসের শিকার হয়ে মৃত্যুবরণকারী ফেনীর সোনাগাজীর উপজেলার মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফির বাবা একেএম মুসা ও মা শিরিনা আক্তার তার দুই ভাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। সোমবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে গিয়ে তারা শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের চেয়ারম্যান নিজাম চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। শেখ হাসিনা নুসরাতের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান ও পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দেন। শেখ হাসিনা বলেন, দুষ্কৃতকারীরা কেউ আইনের হাত থেকে রেহাই পাবে না। প্রধানমন্ত্রী তাদের সকল প্রকার সহযোগিতার আশ্বাস দেন। প্রসঙ্গত, ৬ এপ্রিল সকাল নয়টার দিকে নুসরাত পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করলে আরেক ছাত্রী ক্লাস রুমে নুসরাতকে জানায় যে, তার বান্ধবী নিশাতকে কারা যেন ছাদে মারছে। এই কথা শুনে নুসরাত সাইক্লোন সেন্টারের ছাদে যায়। আগেই একছাত্রীসহ চারজন বোরখা পড়ে সাইক্লোন সেন্টারের টয়লেটে লুকিয়ে ছিল। নুসরাত ছাদে যাওয়ার পর তারা টয়লেট থেকে বের হয়ে নুসরাতকে জাপটে ধরে। এরমধ্যে শাহাদত হোসেন শামীম ওড়না দিয়ে নুসরাতের হাত বেঁধে ফেলে। তারপর শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। আগুন দেয়ার পর তারা পালিয়ে যায়। ১০ এপ্রিল রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে মারা যান অগ্নিদগ্ধ নুসরাত। এর আগে ২৭ এপ্রিল ওই ছাত্রীকে নিজ কক্ষে নিয়ে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সে ঘটনার পর থেকে তিনি কারাগারে আছেন। যৌন নিপীড়নের ঘটনায় নুসরাতের মা শিরিন আক্তার বাদী হয়ে সোনাগাজী মডেল থানায় মামলা করেন। ওই মামলা তুলে নিতে অস্বীকৃতি জানানোয় নুসরাতের গায়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ