jagannathpurpotrika-latest news

আজ, , ১৪ই রমযান, ১৪৪০ হিজরী

সংবাদ শিরোনাম :
«» তাক্বওয়া অর্জনের মাধ্যমে রামাদ্বানের সুফল পাওয়া যায়- মাওঃ আহমদ হাসান চৌধুরী «» কাজের মাধ্যমে জনগনের সাথে আমার সু-সম্পর্ক গড়ে উঠবে : মোকাব্বির খান এমপি «» মা’হাদ সিলেট ক্যাম্পাসের ইফতার মাহফিল সম্পন্ন «» রোজার আনন্দ ইফতার «» রমজানের শিক্ষায় অনুপ্রাণিত হয়ে তাকওয়াভিত্তিক জীবন গঠন করতে হবে- মাওঃ রেজাউল করিম জালালী «» অনিয়মের অভিযোগ পেয়ে বিশ্বনাথ-রশিদপুর প্রশস্থকরণ কাজ পরিদর্শনে নুনু মিয়া «» গোয়াইনঘাটে গলায় ফাঁস লাগিয়ে তরুণীর আত্মহত্যা «» সৈয়দপুর যুবকল্যাণ পরিষদের উদ্যােগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত «» জননেত্রী থেকে রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা «» জগন্নাথপুরে বিএনপির এম এ সাত্তার গ্রুপের ইফতার মাহফিল ও অালোচনা সভা অনুষ্ঠিত




মুঠোফোনে ‘নারীর’ কল, প্রেমিককে খুন করে লাশ পুঁতে রাখেন প্রেমিকা!

ডেস্ক রিপোর্ট :: মুঠোফোনে অন্য নারীর কল আসার জের ধরে প্রথমে কথা কাটাকাটি হয়। পরে পাথর দিয়ে কলেজছাত্র উজ্জ্বলের মাথা ফাটান প্রেমিকা ফারজানা।

পরে হাতের রগ কেটে মৃত্যু নিশ্চিত করেন উজ্জ্বলের। ঘটনাটি হবিগঞ্জের লাখাইয়ে ঘটেছে। এ ঘটনায় পুলিশ প্রেমিকা ফারজানা (১৭) ও তার বাবা মঞ্জু মিয়া (৫০)কে আটক করেছে।

সোমবার (২২ এপ্রিল) সন্ধ্যায় সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে বিষয়টি জানান হবিগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অ্যাডিশনাল এসপি) রবিউল ইসলাম।

এর আগে সোমবার বিকেল মেদি বিল থেকে উজ্জ্বলের গলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত উজ্জ্বল লাখাই উপজেলার মুড়িয়াউক গ্রামের শাহ্ আলমের ছেলে ও মাধবপুর সৈয়দ সঈদ উদ্দিন ডিগ্রি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র।

পুলিশ জানায়, গ্রেফতারের পর উজ্জ্বলকে হত্যার বিষয়টি জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করে ফারজানা।

ফারজানার স্বীকারোক্তির বরাত দিয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অ্যাডিশনাল এসপি) রবিউল ইসলাম জানান, বৃন্দাবন সরকারি কলেজের ছাত্রী ফারজানার সথে ফেসবুকে পরিচয় হয় উজ্জ্বল মিয়ার। সেই সুবাধে তারা দুজনে বিভিন্ন সময় দেখা করে। গত ২০ ফেব্রুয়ারি রাতে ফারজানার বাড়িতে যান উজ্জ্বল। সেখানে তাদের আলাপ চলাকালে উজ্জ্বলের মোবাইল ফোনে অপর এক নারী কল আসে।

এতে ফারজানা ক্ষিপ্ত হন। এনিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে ফারাজানা পাথর দিয়ে উজ্জ্বলের মাথায় আঘাত করে। পরে হাতের রগ কেটে মৃত্যু নিশ্চিত করে। পরে ঘরের ভেতরে গর্ত খুঁড়ে মরদেহটি মাটিচাপা দেয় ফারজানা। ঘটনার ১০/১২ দিন পর ফারজানা ও তার বাবা মঞ্জু মিয়া উজ্জ্বলের মরদেহটি নিয়ে মেদি বিলে ফেলে দেন।

এ ঘটনায় গত ২৬ ফেব্রুয়ারি উজ্জ্বল নিখোঁজ হয়েছে মর্মে তার পরিবারের পক্ষ থেকে লাখাই থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। সাধারণ ডায়রির ভিত্তিতে পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে সন্ধেহজনকভঅবে গত ২১ এপ্রিল রাতে ফারজানা ও পিতা মঞ্জু মিয়াকে আটক করে পুলিশ। পরে তাদের স্বীকারোক্তিতে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ