jagannathpurpotrika-latest news

আজ, , ২২শে সফর, ১৪৪১ হিজরী

সংবাদ শিরোনাম :
«» বাংলাদেশে এখন বিশ্বের আধুনিক আইটি সিস্টেম রয়েছে: জয় «» সিলেটে নবীনদের শুভাগমনে মদন মোহন কলেজে ছাত্রলীগের মিছিল «» আত্মীয় বা দলের নেতা কেউ ছাড় পাবে না: শেখ হাসিনা «» যুবলীগ থেকে ওমর ফারুক আউট, তাপস ইন «» জগন্নাথপুরে ঘন্টাব্যাপি সংঘর্ষে উভয় পক্ষে আহত ১৫ «» সৈয়দপুরে ব্যারিস্টার এনামুল কবির ইমনের জন্মদিন পালিত হয়েছে «» দোয়ারায় ব্যারিস্টার এনামুল কবির ইমনের জন্মদিন পালিত হয়েছে «» সিলেটে ছাত্র জমিয়তের বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত «» জগন্নাথপুরে নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচার) আলোচনা সভা ও লিফলেট বিতরণ «» আল্লাহ ও রাসুল (স.)কে নিয়ে কটুক্তির প্রতিবাদে সাধারণ মুসুল্লিদের সাথে পুলিশের সংঘর্ষে নিহত ১, শতাধিক আহত




বিশ্বনাথে অন্তঃসত্ত্বার পেটে লাথি, সংশয়ে গর্ভের সন্তান!

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি :: সিলেটের বিশ্বনাথে প্রতিপক্ষ পেটে লাথি দেয়ায় সুজনা বেগম (২৪) নামে এক পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা গুরুতর আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তিনি উপজেলার রামপাশা ইউনিয়নের বিশ্বনাথেরগাঁও গ্রামের এলাম উদ্দিনের স্ত্রী। গত ১১জুন মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে স্থানীয় মুফতিরগাঁও গ্রামের মজম্মিল আলীর বাসায় ঘটনাটি ঘটে। এলামরা ওই বাসায় ভাড়াটে হিসেবে বসবাস করে আসছেন। লাথির কারণে সুজনার গর্ভের সন্তানকে নিয়ে তৈরী হয়েছে সংশয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। এ ঘটনায় গত ১৬জুন রবিবার চারজনের নামোল্লেখ করে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন এলাম উদ্দিন।
অভিযুক্তরা হলেন, উপজেলার মুফতিরগাঁও গ্রামের মানিক মিয়ার ছেলে লিটন মিয়া (২৫), ইরন মিয়া (৩০), মেয়ে আনোয়ারা বেগম (২২) ও স্ত্রী মায়া বেগম (৫০)। অভিযোগের প্রেক্ষিতে রবিবার রাতেই পুলিশ ইরন মিয়াকে (৩০) জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে থানায় নিয়ে আসে।
এলাম উদ্দিন অভিযোগে উল্লেখ করেন, অভিযুক্তদের সাথে বিভিন্ন বিষয়াদী নিয়ে আমাদের বিরোধ চলে আসছে। গত মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে তারা কোনো কারণ ছাড়াই আমার পাঁচমাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী সুজনা বেগমকে মারধর করে। এ সময় অভিযুক্ত আনোয়ারা বেগম তার শরীরের স্পর্শকাতরস্থানসহ পেটে এলোপাতাড়ি লাথি দিয়ে তাকে গুরুতর আহত করে।’
সোমবার বিকেলে কথা হলে এলাম উদ্দিন জানান, ‘পেটে লাথি দেয়ার সাথে সাথেই সুজনার রক্তপাত শুরু হয়। এখনও সে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে। গর্ভের সন্তানের কোনো নড়াচড়া নেই। তাকে নিয়ে বড়ই সংশয়ে আছি।’
অভিযোগের ব্যাপারে জানতে চেয়ে লিটন মিয়ার মুঠোফোনে কল দিলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।
ঘটনাস্থলে যাওয়া থানার এসআই দেবাশীষ শর্মা বলেন, অভিযোগের প্রেক্ষিতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ