jagannathpurpotrika-latest news

আজ, , ১৬ই জিলক্বদ, ১৪৪০ হিজরী

সংবাদ শিরোনাম :
«» আল্লামা শায়খ যিয়া উদ্দিনের বর্ণাঢ্য জীবন ও কর্ম নিয়ে লিখিত জীবনী স্মারকের মোড়ক উন্মোচন ৮ আগস্ট «» রাজনৈতিক সংকট এখন রাজনৈতিক শূন্যতায় পরিনত হয়েছে- মাওলানা ইসহাক «» বিশ্বনাথে এইচএসসিতে দুই বোনের জিপিএ-৫ লাভ «» দক্ষিণ সুনামগঞ্জে শতাধিক পরিবারে আল হান্নান ইসলামী সমাজ কল্যাণ সংস্থার ত্রাণ বিতরন «» মৌলভীবাজারে সিজারে টানা হেচড়ায় নবজাতকের গলা কেটে মৃত্যু «» প্রিতমের গোল্ডের জিপিএ-৫ লাভ «» জগন্নাথপুরে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে পানিবন্দি অসহায় মানুষের কাছ থেকে কিস্তি আদায় করছে এনজিও সংস্থা আশা «» বিশ্বনাথে সরকারি জায়গায় অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ «» ছাতকে নদী থেকে লাশ উদ্ধার  «» ওসমানীনগরে ৩২টি প্রতিষ্ঠানে পাঠদান বন্ধ




বিশ্বনাথে অন্তঃসত্ত্বার পেটে লাথি, সংশয়ে গর্ভের সন্তান!

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি :: সিলেটের বিশ্বনাথে প্রতিপক্ষ পেটে লাথি দেয়ায় সুজনা বেগম (২৪) নামে এক পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা গুরুতর আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তিনি উপজেলার রামপাশা ইউনিয়নের বিশ্বনাথেরগাঁও গ্রামের এলাম উদ্দিনের স্ত্রী। গত ১১জুন মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে স্থানীয় মুফতিরগাঁও গ্রামের মজম্মিল আলীর বাসায় ঘটনাটি ঘটে। এলামরা ওই বাসায় ভাড়াটে হিসেবে বসবাস করে আসছেন। লাথির কারণে সুজনার গর্ভের সন্তানকে নিয়ে তৈরী হয়েছে সংশয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। এ ঘটনায় গত ১৬জুন রবিবার চারজনের নামোল্লেখ করে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন এলাম উদ্দিন।
অভিযুক্তরা হলেন, উপজেলার মুফতিরগাঁও গ্রামের মানিক মিয়ার ছেলে লিটন মিয়া (২৫), ইরন মিয়া (৩০), মেয়ে আনোয়ারা বেগম (২২) ও স্ত্রী মায়া বেগম (৫০)। অভিযোগের প্রেক্ষিতে রবিবার রাতেই পুলিশ ইরন মিয়াকে (৩০) জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে থানায় নিয়ে আসে।
এলাম উদ্দিন অভিযোগে উল্লেখ করেন, অভিযুক্তদের সাথে বিভিন্ন বিষয়াদী নিয়ে আমাদের বিরোধ চলে আসছে। গত মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে তারা কোনো কারণ ছাড়াই আমার পাঁচমাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী সুজনা বেগমকে মারধর করে। এ সময় অভিযুক্ত আনোয়ারা বেগম তার শরীরের স্পর্শকাতরস্থানসহ পেটে এলোপাতাড়ি লাথি দিয়ে তাকে গুরুতর আহত করে।’
সোমবার বিকেলে কথা হলে এলাম উদ্দিন জানান, ‘পেটে লাথি দেয়ার সাথে সাথেই সুজনার রক্তপাত শুরু হয়। এখনও সে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে। গর্ভের সন্তানের কোনো নড়াচড়া নেই। তাকে নিয়ে বড়ই সংশয়ে আছি।’
অভিযোগের ব্যাপারে জানতে চেয়ে লিটন মিয়ার মুঠোফোনে কল দিলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।
ঘটনাস্থলে যাওয়া থানার এসআই দেবাশীষ শর্মা বলেন, অভিযোগের প্রেক্ষিতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ