jagannathpurpotrika-latest news

আজ, , ২৩শে জমাদিউল-আউয়াল, ১৪৪১ হিজরী

সংবাদ শিরোনাম :
«» ছাতকে বাংলা সাহিত্যে বঙ্গবন্ধু শীর্ষক আলোচনা সভা ও লেখা পাঠের আসর অনুষ্ঠিত «» জকিগঞ্জে অগ্নিকান্ডে ২০টি দোকান পুড়ে ছাই: প্রায় আড়াই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি «» সিলেটে নিখোঁজের ৪৮ বছর পর বাবাকে ফিরে পেলেন সন্তানরা! «» দোয়ারায় সৈনিকলীগের আনন্দ শোভাযাত্রা ও আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত «» জগন্নাথপুরে মেয়র আব্দুল মনাফের জানাজায় কয়েক হাজার মানুষ: শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও চোঁখের অশ্রুতে শেষ বিদায় «» ছাতকে ৫ শতাধিক শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ «» ছাতকে ৩লক্ষ টাকা ব্যয়ে বসতঘর বরাদ্দ ও সরকারি ৪০হাজার টাকার চেক পেয়েছে অনাথ শিশুরা «» গোলাপগঞ্জে আরিফ ইকবাল স্মৃতি মেধা বৃত্তি পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণ «» বালাগঞ্জে প্রবাসীদের অর্থায়নে সড়ক পাকাকরণ ও মাটি ভরাট কাজের উদ্বোধন «» দক্ষিণ সুনামগঞ্জে সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন কর্মসূচির যৌথ সভা অনুষ্ঠিত




সরকারি গোপাট দখল নিয়ে বিশ্বনাথে তিনপক্ষ মুখোমুখি

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি :: সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার মটুককোনা গ্রামের সরকারি গোপাট দখল নিয়ে তিনপক্ষ মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছেন। এনিয়ে যেকোনো সময় বড় ধরনের সংঘর্ষের আশংকা করছেন এলাকাবাসী। সম্প্রতি গোপাট দখল নিয়ে গ্রামের দু’পক্ষের মধ্যে মারামরির পর গ্রামবাসী গোপাট উদ্ধারে ইউএনও বরাবরে স্মারকলিপি দিয়েছেন। আর গত মঙ্গলবার দশঘর ইউনিয়নের তফশীলদার জামিল আহমদ ঘটনা তদন্তে যাওয়ার পর গত তিনদিন ধরে তিন পক্ষে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

তিনপক্ষের এক পক্ষে রয়েছেন, গ্রামের যুক্তরাজ্য প্রবাসী আখতার হোসেন (৪০)। তিনি মটুককোনা গ্রামের মৃত নুরুজ আলীর ছেলে। প্রতিপক্ষে রয়েছেন তার চাচাতো ভাই পাশের বাড়ির হাজী আব্দুল আহাদের ছেলে সেলিম মিয়া (৩২)। আর তৃতীয় পক্ষে রয়েছেন গ্রামবাসী।

জানা গেছে, স্থানীয় বাসিয়া নদীর তীর থেকে মটুককোনা গ্রামের ভেতর দিয়ে বাবুল মেম্বারের বাড়ি পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার দৈর্ঘ্য ও ১৮/১৯ ফুট প্রস্থের সরকারি একটি গোপাট রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে গোপাটের পার্শ্ববর্তী বাসিন্দাদের দখলের কারণে ১৯ ফুটের গোপাটটি বর্তমানে প্রায় ৯ফুটে এসে দাঁড়িয়েছে। আর ওই ৯ফুট গোপাটকে চলাচলের রাস্তা হিসেবে ব্যবহার করছেন গ্রামবাসী।

গত ২২ আগস্ট ওই গোপাটের রাস্তা দখল করে দেওয়াল নির্মাণ করতে চান সেলিম মিয়া। এতে প্রবাসী আখতার হোসেন বাঁধা দিলে তাদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় নারীসহ ১২জন আহত হন। এ ঘটনার ৫দিনের মাথায় উভয় পক্ষকে অভিযুক্ত করে সরকারি গোপাটের সীমানা নির্ধারণ ও অবৈধ দখল উদ্ধারের জন্য ফিরোজ আলী, আফরোজ আলীসহ গ্রামের ৯জন মুরব্বি ইউএনও বরাবরে স্মারকলিপি দেন।

দখলদার বাবুল মেম্বার দখলের বিষয়টি স্বীকার করে জানান, শুধু তিনি নন প্রবাসী আনোয়ারা বেগম, সমশের আলী, সমুজ আলী, পংকি মিয়াসহ আরো প্রায় ১৫/২০জন গোপাটটি দখল করেছেন। সরকার চাইলে তারা দখল ছেড়ে দিবেন বলেও জানান তিনি।

অভিযুক্ত প্রবাসী আখতার হোসেন ও তার প্রতিপক্ষ সেলিম মিয়া বলেন, রাস্তা রেখে গোপাটের অপ্রয়োজনীয় অংশটুকু তারা দখল করেছেন। সরকারি তদন্তে প্রমাণিত হলে তারা গোপাটের দখল ছেড়ে দিবেন।

তদন্ত প্রতিবেদন এখনও তার কাছে পৌঁছায়নি জানিয়ে ইউএনও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বর্ণালী পাল বলেন, তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর দখলদারদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ