jagannathpurpotrika-latest news

আজ, , ২৩শে সফর, ১৪৪১ হিজরী

সংবাদ শিরোনাম :
«» অবশেষে বিশ্বনাথ পৌরসভা অনুমোদন «» বিশ্বনাথ উপজেলা ‘পৌরসভা’য় উন্নীত হওয়ায় আ’লীগের মিষ্টি বিতরণ «» বিশ্বনাথে জমিয়তের মানববন্ধনে জনতার ঢল «» সিলেটে জমিয়তে সমাবেশে নবী প্রেমিক শহীদদের রক্তের বদলা নেওয়া হবে- শায়খ জিয়া উদ্দিন «» দোয়ারায় মোবাইল কোটে জব্ধকৃত পাথর চুরি করে বিক্রির দায় ২ জন আটক অতপর জরিমানা করে মুক্তি «» বিশ্বনাথে তাওহীদি জনতার বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত «» জগন্নাথপুরে অাওয়ামীলীগের সম্মেলন সফলের লক্ষে সৈয়দপুরে গণ-মিছিল অনুষ্ঠিত «» ছাতকে এমপি মানিকের মাতার সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত «» ক্রিকেটারদের ধর্মঘটের ডাক «» হেফাজতে ইসলামের সংবাদ সম্মেলনে আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীর কর্মসূচি ঘোষণা




বিশ্বনাথে রাস্তায় মাটিভরাট : প্রকল্পের টাকা পিআইও-মেম্বারের পকেটে!

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি :: সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার দশঘর ইউনিয়নের ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচির আওতায় ২য় পর্যায়ের একটি প্রকল্পের পুরো কাজ না করে বরাদ্দ পাওয়া টাকা ছয়নয় করা হয়েছে। প্রায় দেড় লক্ষ টাকার এই প্রকল্পের ৪৯ হাজার টাকাই পকেটে পুরেছেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা, ট্যাগ কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ইউপির মহিলা সদস্য। কাজ হয়েছে মাত্র ৭৫ হাজার টাকার। নামকাওয়াস্তে কাজ করায় প্রকল্প এলাকার অনেক মানুষজন হয়েছেন ক্ষুব্ধ। তারা এই অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ারও দাবী করেছেন।

জানা গেছে, ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে বিশ্বনাথ উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচির আওতায় ২য় পর্যায়ের ৩৩টি প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে ৯১ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। এর মধ্যে দশঘর ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের রায়খেলি এখলাছ মিয়ার বাড়ীর সম্মুখ হতে কান্দিরখাল পর্যন্ত রাস্তার মাটিভরাটের জন্যে বরাদ্দ দেয়া হয় ১ লক্ষ ৪৪ হাজার টাকা। প্রকল্পটি পান ৭, ৮ ও ৯ নং সংরক্ষিত ওয়ার্ডের সদস্য রোশনারা বেগম।

সরেজমিন প্রকল্প এলাকা ঘুরে অভিযোগের সত্যতা পান এ প্রতিবেদক। স্থানীয় অনেকেই জানান, পুরো টাকার কাজ হয়নি রায়খেলি এখলাছ মিয়ার বাড়ীর সম্মুখ হতে কান্দিরখাল পর্যন্ত রাস্তাটিতে। নামকাওয়াস্তে কাজ করার ফলে এটি কিছুদিনের মধ্যে তার পূর্বের অবস্থায় ফিরে গেছে। ১ লক্ষ ৪৪ হাজার টাকা বরাদ্দের প্রকল্পে কাজ করেছেন মাত্র ৭৫ হাজার টাকার-এমনটি এ প্রতিবেদকের কাছে স্বীকার করেন ৭, ৮ ও ৯ নং সংরক্ষিত ওয়ার্ডের সদস্য রোশনারা বেগম।

তিনি প্রকল্পটি থেকে ‘৩৪ হাজার টাকা খেয়ে ফেলেছেন’ জানিয়ে বলেন, ১ লক্ষ ৪৪ হাজার টাকার মধ্যে ভ্যাট-ইনকাম ট্যাক্স বাবত ২০ হাজার টাকা রাখা হয়েছে। এছাড়াও, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাকে (পিআইও) ১০ হাজার টাকা ও ট্যাগ কর্মকর্তাকে ৫ হাজার টাকা দিতে হয়েছে।

দশঘর ইউনিয়নের ট্যাগ কর্মকর্তা সমীর কান্তি দেব ৫ হাজার টাকার নেয়ার কথা অস্বীকার করে বলেন, আমি প্রকল্পটিই গিয়ে দেখিনি। টাকা নেয়ার প্রশ্নই উঠে না। দুয়েকদিনের মধ্যে প্রকল্পটি দেখতে যাব।

দশঘর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান ছাতির বলেন, প্রকল্পটি আমি দেখিনি তবে দূর্নীতি হয়েছে বলে আমি শুনেছি।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মাহবুব আলম শাওন বলেন, অই মহিলা সদস্যকে আপনাদের সামনে এনে জিজ্ঞাসা করব। সে বলুক আমাকে টাকা দিয়েছে কিনা। সে আমাকে কোনো টাকা দেয়নি। আমিও নেইনি।

এ ব্যাপারে কথা হলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বর্ণালী পাল জানান, এ ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ