jagannathpurpotrika-latest news

আজ, , ২৩শে সফর, ১৪৪১ হিজরী

সংবাদ শিরোনাম :
«» অবশেষে বিশ্বনাথ পৌরসভা অনুমোদন «» বিশ্বনাথ উপজেলা ‘পৌরসভা’য় উন্নীত হওয়ায় আ’লীগের মিষ্টি বিতরণ «» বিশ্বনাথে জমিয়তের মানববন্ধনে জনতার ঢল «» সিলেটে জমিয়তে সমাবেশে নবী প্রেমিক শহীদদের রক্তের বদলা নেওয়া হবে- শায়খ জিয়া উদ্দিন «» দোয়ারায় মোবাইল কোটে জব্ধকৃত পাথর চুরি করে বিক্রির দায় ২ জন আটক অতপর জরিমানা করে মুক্তি «» বিশ্বনাথে তাওহীদি জনতার বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত «» জগন্নাথপুরে অাওয়ামীলীগের সম্মেলন সফলের লক্ষে সৈয়দপুরে গণ-মিছিল অনুষ্ঠিত «» ছাতকে এমপি মানিকের মাতার সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত «» ক্রিকেটারদের ধর্মঘটের ডাক «» হেফাজতে ইসলামের সংবাদ সম্মেলনে আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীর কর্মসূচি ঘোষণা




বুয়েট ছাত্র হত্যায় জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা: ওবায়দুল কাদের

ডেস্ক রিপোর্ট :: বাংলাদেশ প্রকেৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদের মৃত্যুর ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

সোমবার সকালে সচিবালয়ে সমসাময়িক বিষয়ে নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকারে তিনি এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বুয়েটের এক ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় যেই জড়িত হোক তার বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেয়া হবে। এক্ষেত্রে কেউ ছাড় পাবে না।

আবরার ফাহাদের মৃত্যুর ঘটনায় অভিযোগের তীর উঠেছে ছাত্রলীগের দিকে। সংগঠনের দুই নেতাকে সোমবার আটক করেছে পুলিশ। আটক রাসেল বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আর ফুয়াদ বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সহসভাপতি।

চকবাজার থানার ওসি সোহরাব হোসেন জানান, বুয়েট শিক্ষার্থী ফাহাদের মৃত্যুর ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রাসেল ও ফুয়াদকে আটক করা হয়েছে। তারা দুজনই বুয়েট শিক্ষার্থী।

এর আগে রোববার দিনগত রাত ৩টার দিকে বুয়েটের শেরেবাংলা হলের নিচতলা থেকে ফাহাদের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

পরিবার ও সহপাঠীদের অভিযোগ, ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। সহপাঠীরা বলছেন, রাত ৮টার দিকে শেরেবাংলা হলের এক হাজার ১১ নম্বর কক্ষ থেকে কয়েকজন ফাহাদকে ডেকে নিয়ে যায়। এর পর রাত ২টা পর্যন্ত তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।

তাদের ধারণা, ২ হাজার ১১ নম্বর রুমে নিয়ে তাকে পেটানো হয়। পরে শেরেবাংলা হলের একতলা ও দুই তলার মাঝখানের সিঁড়ি থেকে ফাহাদের লাশ উদ্ধার করা হয়।

ফাহাদের এক সহপাঠী জানান, যারা ফাহাদকে ডেকে নিয়ে যায় তাদের আমরা চিনি। কিন্তু এ মুহূর্তে তাদের নাম বলতে চাচ্ছি না। তবে কে বা কারা তাকে হত্যা করেছে, এ বিষয়ে এখনও কিছু জানাতে পারেনি পুলিশ। এদিকে এ বিষয়ে বুয়েট কর্তৃপক্ষও এখনও কিছু বলেনি।

পুলিশ ও তার পরিবার বলছে, ফাহাদের গায়ে আঘাতের চিহ্ন ছিল। শরীরের পেছনে, বাম হাতে ও কোমর থেকে পায়ের নিচ পর্যন্ত আঘাতের কালো দাগ ছিল।

ফাহাদ বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের লেভেল-২ এর টার্ম ১-এর ছাত্র ছিলেন। তিনি শেরেবাংলা হলের ১০১১ নম্বর কক্ষে থাকতেন। তার বাড়ি কুষ্টিয়া শহরে।

ফাহাদের মামাতো ভাই জহিরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, ফাহাদের সঙ্গে কারও কোনো শত্রুতা ছিল না। সে কুষ্টিয়ায় গিয়েছিল। গতকালকেই বিকালে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকায় এসে হলে ওঠে। তার পর মধ্যরাতে খবর পাই ভাই মারা গেছে।

হল প্রভোস্ট মো. জাফর ইকবাল খান বলেন, রাত পৌনে ৩টার দিকে খবর পাই এক শিক্ষার্থী হলের সামনে পড়ে আছে। কেন সে বাইরে গিয়েছিল, কী হয়েছিল, তা এখনও জানা যায়নি।

‘পরে বুয়েটের চিকিৎসক দিয়ে তাকে পরীক্ষা করা হয়। ওই চিকিৎসক জানান তিনি বেঁচে নেই। পরে পুলিশকে খবর দিই। পুলিশ এসে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।’

চকবাজার থানার এসআই দেলোয়ার হোসেন বলেন, রাত পৌনে ৩টার দিকে বুয়েট কর্তৃপক্ষ আমাদের ফোন করে বিষয়টি জানায়। পরে আমরা গিয়ে শেরেবাংলা হলের বাইরে নিচতলা থেকে লাশ উদ্ধার করে ঢামেকে নিয়ে আসি।

ফাহাদের শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে উল্লেখ করে পুলিশের এ কর্মকর্তা বলেন, আঘাত কোনো অস্ত্রের নয়। কোনো কিছু দিয়ে বাড়ি দেয়া হয়েছে। কেন এত রাতে সে বাইরে গিয়েছিল, তা কেউ বলতে পারেনি।

তিনি বলেন, এ ঘটনায় সহপাঠীদের জিজ্ঞাসা করা হয়েছে। লাশের ময়নাতদন্ত হবে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। সুত্র: যুগান্তর

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ