jagannathpurpotrika-latest news

আজ, , ২০শে রবিউল-আউয়াল, ১৪৪১ হিজরী

সংবাদ শিরোনাম :
«» সিলেটে ফুলের হাসি পাঠক ফোরামের কমিটি গঠন «» আমার বাসায় সমস্ত রান্না হয়েছে পেঁয়াজ ছাড়া : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা «» ছাতকে দুই পক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ আহত ৫০ «» দোয়ারাবাজারে গভীর রাতে গরুর ঘরে আগুন «» ছাতকে অপ্রয়োজনীয় গতিরোধক উচ্ছেদ করলেন ইউএনও «» বিশ্বনাথে এক প্রবাসীর বিরুদ্ধে আরেক প্রবাসীর বসতঘর ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ «» বিশ্বনাথে ১৩ লাখ টাকা আত্বসাতের অভিযোগে মামলা, নারী আসামি গ্রেফতার «» ছাতকে ইয়াকুব হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবীতে এলাকাবাসির শোক সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত  «» জাতিসংঘে ১৪০দেশের ভোটে পাস হল রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তন প্রস্তাব «» পিঁয়াজের প্রভাবে গরীবরা পড়েছে অভাবে : অাব্দুল তাহিদ




প্রশাসনের-যোগসাজসে ইজারাবিহীন বিলে লাখ লাখ টাকার মাছ মারছে একটি চক্র

হারুন অর রশিদ, দোয়ারাবাজার :: সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলায় ইজারাবিহীন কনছ খাই গ্রুপ জল মহালে প্রশাসনের যোগসাজসে লাখ লাখ টাকার মাছ ধরার অভিযোগ উঠেছে একটি চক্রের বিরুদ্ধে।

এতে বড় ক্ষতির শিকার হচ্ছে প্রকৃত মৎস্যজীবীরা। এছাড়া সরকারও হারাচ্ছে বড় অংকের রাজস্ব।
জেলা প্রশাসন থেকে বারবার উপজেলা প্রশাসনকে বিলে মাছধরা বন্ধের কথা বলা হলেও মোটা অংকের ঘোষ খেয়ে প্রশাসন নীরব ভুমিকা পালন করছে বলে স্থানীয়দের ধারণা।

সরকারি নিতিমালা মৎস্য আইন ২০০৯ মোতাবেক বিলের পাড় সংলঙ আশপাশের মৎসজীবীরা বা সমবায় সমিতির লোকজন সুবিধা পাওয়ার কথা থাকলেও হিলিপের মাধ্যমে বিল ইজারা পাচ্ছে দোয়ারা সদর ইউনিয়নের রায়নগর গ্রামের কামরুজ্জামান। ইতিমধ্যে ভুমি মন্ত্রনালয় থেকে ২০ একরের চেয়ে বড় বিল গুলোর চুক্তি বাতিল করলেও রায়নগর মৎসজীবী সমবায় সমিতির কামরুজ্জামান ভূয়া খাজনা দেখিয়ে সরকারের লাখ লাখ টাকার মাছ মারছে অসাধু কর্মকর্তাদের যোগসাজসে।

বিলের পারের ভোজনা সমবায় সমিতির লোকজন প্রতিবছর ইজারার আবেদন করলেও তারা ইজারা পাচ্ছে না। বরং বিলের পাড়ের লোকজন পানিতে নামতে পারছে না, ঠেলা জাল দিয়ে চিংড়ি জাতীয় ছোট মাছ ধরতে পারছে না কামরুজ্জামানের অত্যাচারে। প্রতিবাদ করলে একের পর এক মামলা দিয়ে হয়রানী করে আসছে কামরুজ্জামান।

এদিকে কামরুজ্জামান, বিএনপি নেতা  জালালপুর গ্রামের কলমদর আলীর পুত্র আক্তারুল ও একই গ্রামের কনাই মিয়ার পুত্র সাইদুর রহমান এবং কাটাখালি গ্রামের আজবদির পুত্র রাবিদ মিয়াসহ একটি চক্র দিনের পর দিন ইজারা বিহীন কনছ খাই গ্রুপ জলমহালে লাখ লাখ টাকার মাছ মারছে।

এ ব্যাপারে ভোজনা সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক আমির আলী বলেন, ২০০৯ মৎস্য আইনের বিধি মোতাবেক কনছ খাই বিলের ইজারা পাওয়ার আবেদন করেছি। আশা করি এভার বিলের ইজারা আমরা পাব। প্রশ্ন হলো আমরা বিল পেলেও সরকারের অসাধু কর্মকর্তাদের যোগসজসে ভুয়া খাজনা দেখিয়ে কামরুজ্জামান বিলের মাছ মারছে প্রশাসন নীরব থাকায় আমরা চিন্তিত আছি।

এ ব্যাপারে রায়নগর গ্রামের কামরুজ্জামান বলেন, ‘আমি বিলের খাজনা ভাবত ৫ লাখ ৬৫ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দিয়েছি। বিলের ইজারাদার হিসাবে বৈধভাবে মাছ মারছি

সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাপস শীল বলেন, আমি লিখিত নির্দেশনা না পেলে কনছ খাই বিলের মাছমারা বন্ধ করাতে পারব না।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ