jagannathpurpotrika-latest news

আজ, , ১৪ই জমাদিউস-সানি, ১৪৪২ হিজরী

সংবাদ শিরোনাম :
«» বিশ্বনাথে হত্যাচেষ্টা-শ্লীলতাহানির অভিযোগে মামলা, প্রধান আসামী জেলহাজতে «» ছাতকে মুক্তিযোদ্ধা শাহ মনোহর আলীর ইন্তেকাল রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন «» বিশ্বনাথের জাবের লতিরাজ কচুর সফল চাষী «» ছাতকে কৃষক মাঠ দিবস ও রিভিউ ডিসকাশন অনুষ্ঠিত «» ছাতকে নরপশুদের হাতে হত্যার শিকার একটি গাভীনগাভী «» সিলেটে আসা ২৮ যুক্তরাজ্য প্রবাসী করোনায় আক্রান্ত! «» নবীগঞ্জে কারচুপি করে আ.লীগ প্রার্থীকে পরাজিত করানোর অভিযোগ «» সিলেটে ছাত্র জমিয়তের র‌্যালি «» ছাতকে স্বেচ্ছাসেবকদলের কর্মী সমাবেশে “নেতৃত্ব হবে প্রতিযোগীতামূলক, প্রতিহিংসামূলক নয়”- ফরহাদ চৌধুরী শামীম «» বিশ্বনাথে এবার গরীবের পাশে দাঁড়াল পুলিশ




সাড়ে ৮ হাজার কোটি টাকা বিদ্যুৎ বিল বকেয়া

ডেস্ক রিপোর্ট :: সরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে বকেয়া বিদ্যুৎ বিল দ্রুত আদায়ের সুপারিশ করেছে বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। কমিটির বৈঠকে বিদ্যুতের সিস্টেম লস কমাতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের তাগিদ দেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠকে বকেয়া বিদ্যুৎ বিল আদায়ে করণীয় নিয়ে আলোচনাকালে এই সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠকের কার্যপত্র থেকে গত বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বকেয়া বিলের তথ্য থেকে জানা গেছে, সারা দেশে গ্রাহকদের কাছে ৮ হাজার ৫৫৬ কোটি ৬৩ লাখ টাকা পাওনা রয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগের। এর মধ্যে বেসরকারি খাতে ৬ হাজার ৯৬২ কোটি ৭৪ লাখ। আর সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কাছে ৭৪৬ কোটি ৮৬ লাখ টাকা বিদ্যুৎ বিভাগের পাওনা। সরকারি খাতের মধ্যে স্থানীয় সরকার বিভাগের কাছে বিদ্যুৎ বিভাগের পাওনা সবচেয়ে বেশি। তাদের কাছ পাওনা ৬৯৪ কোটি ৯২ লাখ টাকা। আধা সরকারি খাতে বকেয়া রয়েছে ১৯৭ কোটি ১১ লাখ টাকা। কমিটির সভাপতি মো. শহীদুজ্জামান সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে কমিটির সদস্য মো. আবু জাহির, মো. নূরুল ইসলাম তালুকদার, মো. আছলাম হোসেন সওদাগর ও বেগম নার্গিস রহমান উপস্থিত ছিলেন।

 

কমিটি সূত্র জানায়, বৈঠকে বিদ্যুৎ বিভাগের চলমান প্রকল্প ও পাইপ লাইনে থাকা প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা হয়। আলোচনাকালে প্রকল্পের অপচয় রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। আলোচনা শেষে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্প বাস্তবায়ন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের সুপারিশ করা হয়। বৈঠকে জনগণের সেবাপ্রাপ্তি সহজীকরণের পাশাপাশি হয়রানি রোধে মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সুপারিশ করা হয়। এ ছাড়া স্মার্ট মিটার (প্রিপেইড মিটার) দ্রুততম সময়ের মধ্যে স্থাপনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের তাগিদ দেয়া হয়। সুত্র: যুগান্তর

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ