jagannathpurpotrika-latest news

আজ, , ২৪শে রজব, ১৪৪২ হিজরী

সংবাদ শিরোনাম :
«» দক্ষিণ সুনামগঞ্জে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ উপলক্ষে বীর মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশ ও আলোচনা সভা «» বালাগঞ্জে ৬টি ইউনিয়নে বিএনপির আহবায়ক কমিটি ঘোষনা «» উস্তাদদের প্রতি ছাত্রদের শ্রদ্ধা- ভালবাসা,কওমী ছাড়া এমন নজির কোথাও খুজে পাবে নাকো তুমি? «» ঐতিহাসিক ৭মার্চ ও বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশে উত্তোরনে ছাতক থানায় আনন্দ উদযাপন «» আরাফাত রহমান কোকো স্পোর্টিং ক্লাবের ফুটবল টুর্নামেন্ট সম্পন্ন «» বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে সিলেট জেলা আ’লীগের শ্রদ্ধা নিবেদন «» ওসমানীনগরে জায়গা দখল নিতে ভাঙচুর ও মারপিট, গ্রেফতার ১ «» ঐতিহাসিক ৭ মার্চ আজ «» সুনামগঞ্জে আওয়ামীলীগের নেতৃত্ব কোনো বিতর্কিত মানুষের হাতে দেয়া যাবেনা- মুহিবুর রহমান মানিক এমপি «» বিশ্বনাথে উৎসব মুখর পরিবেশ ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ঢাকা ম্যারাথন-২১’ সম্পন্ন




বিশ্বনাথে এবার গরীবের পাশে দাঁড়াল পুলিশ

মো. আবুল কাশেম, বিশ্বনাথ :: মানসিক প্রতিবন্ধী স্বামী আর অন্ধ মেয়েকে নিয়ে জীবনের দূর্বিসহ সময় পার করছিলেন সত্তোর বছর বয়সি বৃদ্ধা আয়শা বেগম। রাত-দিন বাজার ঘুরে ‘চেয়ে-চিত্তে’ যা পেতেন তা দিয়েই চলতো তিনজনের সংসার। মধ্যরাত পর্যন্ত খাটা-খাটনি শেষে কুড়িয়ে আনা কাগজ পুঁড়িয়ে শীত নিবরাণই ছিল তার নিত্যদিনের কর্ম। গত ৮ জানুয়ারি রাতে এভাবে আগুন পোহাতে গিয়ে দগ্ধ হন সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার পূর্ব জানাইয়া গ্রামের হাসানুরের কলোনীর ভাড়াটিয়া আয়শা বেগম। তার গ্রামের বাড়ি নেত্রকোণার মহনগঞ্জের জৈনপুরে। দীর্ঘদিন থেকে ওই কলোনীতে প্রতিবন্ধী স্বামী নূর মিয়া ও অন্ধ মেয়ে টিপুলা বেগম (৪০)কে নিয়ে বসবাস করতেন তিনি। দগ্ধ হবার পর দীর্ঘ ১৪ দিন সিলেট ওসমানী হাসপাতালে চিকিৎসা নেবার পর ২১ জানুয়ারি রাতে হাসপাতালেই মারা যান বৃদ্ধা আয়শা বেগম। তার মৃত্যুতে এখন অচল প্রায় প্রতিবন্ধী স্বামী ও অন্ধ মেয়ের জীবন।
এ অবস্থায় বৃদ্ধার পরিবারের অসহায় দুই সদস্যের পাশে দাঁড়িয়েছে সিলেটের বিশ্বনাথ থানা পুলিশ। শনিবার বিকেলে থানার অফিসার ইনচার্জ শামীম মূসা, ওসি (তদন্ত) রমা প্রসাদ চক্রবর্তীসহ পুলিশ কর্মকর্তারা বৃদ্ধার পরিবারের খোঁজ-খবর নিতে যান। এসময় তারা শীতবস্ত্র, চাল, ডাল আলু ও তৈলসহ নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য তাদের হাতে তুলে দেন। বিশ্বনাথ পুলিশ স্টেশনের অফিসার ইনচার্জ শামীম মূসা বলেন, অসহায় এ পরিবারকে সহায়তা দেয়া আমাদের মানবিক দায়িত্ব। বৃদ্ধার পরিবারের এক ছেলেই কেবল সুস্থ। আমরা তাকে অন্যদের খেয়াল রাখার ব্যাপারে সচেতন করেছি। পাশাপাশি আমাদের সহায়তাও অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ