jagannathpurpotrika-latest news

আজ, , ২৪শে রজব, ১৪৪২ হিজরী

সংবাদ শিরোনাম :




দুনিয়া কাঁপানো মহামারী পর্ব ৪ শাহ মো: সফিনূর

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার পরে সৈন্যরা তাদের দেশে ফিরতে শুরু করে ।বাড়িতে আসার পর তারা কল্পণা করতে পারেনি তাদের জন্য অপেক্ষা করছে ভয়ংকর মহামারী স্প্যানিশ ফ্লু। বিবিসির একজন ব্রডকাস্টার অ্যালেস্টার কুক, যিনি ‘লেটার ফ্রম আমেরিকা’ অনুষ্ঠানের জন্যে বিখ্যাত হয়েছিলেন, তিনিও শৈশবে এই স্প্যানিশ ফ্লুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন। পরে তিনি সেই অভিজ্ঞতার কথা ২০০৪ সালে বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তুলে ধরেছিলেন এভাবে: “আমি বিছানায় গেলাম এবং হঠাৎ করেই অসুস্থ বোধ করতে লাগলাম। জীবনে নিজেকে কখনো এতোটা অসুস্থ মনে হয়নি। শরীরে প্রচণ্ড রকমের ব্যথা হচ্ছিল। ক্লান্তি আর অবসাদে একেবারে বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছিলাম। গায়ে ছিল প্রচণ্ড জ্বর।” এইডা ডারউইন নামের একজন নারী বর্ণনা করছিলে যে তার পিতাও কীভাবে এই ফ্লুতে আক্রান্ত হন। রণাঙ্গনে একটি সামরিক হাসপাতালে সৈন্যদের নার্সিং সেবা দিচ্ছিলেন তার পিতা এবং সেখানেই তিনি আক্রান্ত হন। নানা কারণে মানব ইতিহাসে এই মহামারী গুলো বারবার ফিরে আসে পৃথিবীর মানবজাতিকে একটি ক্রান্তিকালে শেষ সীমানায় পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে নেমে যায় কিন্তু আধুনিক বিজ্ঞান । বৈজ্ঞানিক শক্তি দ্বারা মোকাবেলা করে মহামারী কে পরাজিত করে পৃথিবীর মানুষের জন্য নতুন আবাসভূমি নতুন পরিবেশ নতুন তৈরি করে মানব জাতির জন্য সুসংবাদ নিয়ে আসে । গত শতকে ইনফ্লুয়েঞ্জা বিষয়ে বিজ্ঞানীরা অনেক কিছু উদ্ধার করেছিলেন। এখন মানুষ জানে ইনফ্লুয়েঞ্জার জন্য দায়ী ভাইরাস পরিবারটি পাখি ও শূকরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ। এ ফ্লুর ভ্যাকসিন তৈরি করতে মুরগির ডিম কাজে লাগে। ১৯১৮ সালের মহামারী বহুকাল ধরেই এক রকম রহস্য হয়ে ছিল। কেন এ মহামারী এত বিপুলসংখ্যক মানুষের জীবন কেড়ে নিয়েছিল, তা নিশ্চিতভাবে কেউ ব্যাখ্যা করতে পারেননি। চলবে-

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ