jagannathpurpotrika-latest news

আজ, , ১০ই জিলক্বদ, ১৪৪২ হিজরী

সংবাদ শিরোনাম :




দক্ষিণ সুনামগঞ্জে চেয়ারম্যান কর্তৃক প্রকল্পের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

কাজী জমিরুল ইসলাম মমতাজ :: দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার দরগাপাশা ইউনিয়নের সিদখাই গ্রামে একটি প্রকল্পের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনির উদ্দিনের উপর। এ নিয়ে দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগও করেছেন ভূক্তভোগী মনু মিয়া। গত বুধবার এ অভিযোগ করেন তিনি। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০২০-২১ অর্থ বছরের কাবিটা প্রকল্পের আওতায় ‘সিদখাই গ্রামের মনু মিয়ার বাড়ি হইতে প্রাথমিক পর্যন্ত রাস্তার কাজ’ এর জন্য বরাদ্দকৃত ২লক্ষ ৬০হাজার টাকা অর্থ আত্মসাৎ করেছেন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মনির উদ্দিন। এর আগে চেয়ারম্যান বরাদ্দ আসলে টাকা দিয়ে দেবেন বলে এলাকা বাসীর মাধ্যমে কাজ করান।

 

এলাকাবাসী ঘর প্রতি চাঁদা তুলে মসজিদের ফান্ড থেকে টাকা)ধার করে রাস্তার কাজ করান। এর ফাঁকে চেয়ারম্যান মনির উদ্দিন ২ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা প্রকল্প অনুমোদন করিয়ে আনেন। কিন্তু গ্রামবাসীর টাকা ফিরিয়ে দেননি। এলাকাবাসী জানান, মনু মিয়ার বাড়ির সামনের অংশ থেকে সিদখাই প্রাইমারি স্কুল পর্যন্ত ও মনু মিয়ার বাড়ির রাস্তা নির্মাণ করার দাবি করলে চেয়ারম্যান বলেন, আপনারা আপনাদের টাকা দিয়ে রাস্তা করান। বরাদ্দ আসলে টাকা দিয়ে দেবো। পরে আমরা শুনলাম- ইদানিং চেয়ারম্যান মনির উদ্দিন আমাদের এই প্রকল্প দেখিয়ে তিনি ২ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা তুলে আত্মসাৎ করেছেন। এই বরাদ্দের একটি টাকাও আমরা পাইনি।

 

শ্রীরামপুর নতুন মসজিদের মাতোয়ালি ফিরুজ আলী, সিদখাই জামে মসজিদের মতোয়াল্লি কদ্দুছ আলী, দিলাল আহমেদ, মজমিল আলী, তেরাব আলী বলেন, চেয়ারম্যান সাহেব আমাদের বলেছেন আমাদের গ্রামের টাকা দিয়ে রাস্তা নির্মাণ করার জন্য। পরে বরাদ্দ আসলে দিয়ে দেবেন। আমাদেরকে একটি টাকাও দেননি। মনু মিয়া ও জুয়েল আহমদ বলেন, আমাদের বাড়ির রাস্তা দিয়ে সমস্ত গ্রামের মানুষ চলাচল করে। চেয়ারম্যানের কথায় ঋণ করে টাকা এনে রাস্তা নির্মান করেছি। এখন তিনি বরাদ্দের টাকা মেরে দিয়েছেন। এ ব্যপারে দরগাপাশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনির উদ্দিন এ প্রতিবেদককে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমার কাছে মনু মিয়াসহ তারা সকলেই রাস্তার ব্যপারে দাবি করেছিলেন। আমি প্রকল্প এনে সমুজ আলী মেম্বারকে পিআইসি সভাপতি করে বরাদ্দ দিয়েছি। আমার জানা মতে, সমুজ আলী মেম্বার তাদেরকে ১লক্ষ ৮৩ হাজার টাকাও দিয়েছেন। আমার উপর আনিত অভিযোগ সব মিথ্যা।

 

এ ব্যপারে ৫নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সমুজ আলী এ প্রতিবেদককে বলেন আমি মনু মিয়াকে ১লক্ষ ৮৩ হাজার টাকা দিয়েছি। দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আনোয়ার উজ জামান এ প্রতিবেদককে বলেন, এ সংক্রান্ত একটি অভিযোগ আমি পেয়েছি। একটি কমিটি গঠন করে তাদের দায়ীত্ব দিয়েছি। তদন্ত রিপোর্ট আসলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ