jagannathpurpotrika-latest news

আজ, , ১৩ই জিলহজ্জ, ১৪৪২ হিজরী

সংবাদ শিরোনাম :




টিকা নিলেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া

ডেস্ক রিপোর্ট :: আমেরিকার তৈরি মডার্নার টিকা নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। সোমবার বিকেল ৩টা ৫৫ মিনিটে রাজধানীর মহাখালীর ন্যাশনাল গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট অ্যান্ড হাসপাতালে তিনি করোনার টিকা গ্রহণ করেন। এর আগে বিকেল ৩টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে পৌঁছান খালেদা জিয়া। সরেজমিনে দেখা যায়, সেখানে উপস্থিত নেতাকর্মী ও সাংবাদিকদের ভিড়ের কারণে খালেদা জিয়াকে গাড়ি থেকে নামানো হয়নি। গাড়িতে বসিয়েই তাকে করোনার টিকা দেন হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা। ভিড়ের কারণে খালেদা জিয়াকে গাড়ি থেকে নামানো হয়নি। এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বেগম খালেদা জিয়ার ভাই শামীম ইস্কান্দর, ভাইস চেয়ারম্যান ও চিকিৎসক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী অ্যাডভোকেট শাছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, হাবিবুন নবী খান সোহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ, যুবদলের সভাপতি সাইফুল ইসলাম নিরব, সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ইশরাক হোসেন, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সুলতানা রহমান, সাবেক ছাত্রনেতা রাজিব আহসান প্রমুখ। টিকা দেয়ার পর খালেদা জিয়ার চিকিৎসক দলের অন্যতম সদস্য ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন জানান, বিএনপির চেয়ারপারসন মডার্নার টিকা গ্রহণ করেছেন। তিনি বলেন, দেশের একজন আইন মান্যকারী নাগরিক হিসেবে সাধারণ মানুষের কাতারে এসে বেগম খালেদা জিয়া করোনার টিকা নিয়েছেন। তিনি জমায়েত অ্যাভয়েড করার জন্য আজকে টিকা নিতে এসেছেন। অন্য সময় এলে হয়তো আরও ভিড় হতো, সে ভিড় এড়ানোর জন্যই তিনি আজ টিকা নিয়েছেন। জাহিদ হোসেন বলেন, অন্যদের মতো ম্যাডাম জিয়া মডার্নার টিকা নিয়েছেন। উনার কোনও আলাদা ইচ্ছা নেই। আপনাদের মাধ্যমে দেশবাসীকে তিনি ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। গত ১২ জুলাই খালেদা জিয়া টিকার জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ‘সুরক্ষা’ ওয়েবসাইটে নিবন্ধন করেন। গতকাল রোববার তার টিকার এসএমএস আসে। উল্লেখ্য, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৭ এপ্রিল রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন খালেদা জিয়া। সেখানে ৫৪ দিন চিকিৎসা শেষে গত ১৯ জুন রাতে গুলশানের বাসভবনে ফেরেন খালেদা জিয়া।
২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় তার পাঁচ বছরের কারাদ- হয়। এরপর প্রথমে পুরান ঢাকার বিশেষ কারাগার ও পরে কারাবন্দি অবস্থায় বিএসএমইউ’র হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। এরপর দেশে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দিলে খালেদা জিয়ার পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে সরকার নির্বাহী আদেশে তার ৬ মাসের সাজা স্থগিত করে মুক্তি দেয়। এরপর আরও দুইবার তার সাজা স্থগিতের মেয়াদ বাড়ান সরকার।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ