jagannathpurpotrika-latest news

আজ, , ১১ই রবিউল-আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরী

সংবাদ শিরোনাম :
«» ছাতকের ১০টি ইউনিয়নে ৫০ জন চেয়ারম্যান প্রার্থীর মনোনয়ন দাখিল «» শান্তিগঞ্জে শালিস বৈঠকে দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১০ «» বিশ্বনাথে পলাতক আসামি সেবুল মিয়া গ্রেফতার «» উদ্বোধনী দিনেই লড়বে বাংলাদেশ, টি-২০ বিশ্বকাপের পর্দা উঠছে আজ «» শান্তিগঞ্জে তরবিয়তি মজলিসে কোরআনের সমাজ প্রতিষ্ঠায় সবাইকে কাজ করতে হবে- মোহন «» সিলেটে ছাত্রলীগের মানববন্ধন «» নবীগঞ্জে সৌদি ফেরত তরুণী ধর্ষণকারী গ্রেফতার «» কৃষকদের ভর্তুকি দিতে নিষেধ করা হয়েছিল, কিন্তু আমরা শুনিনি: প্রধানমন্ত্রী «» সিলেট বিভাগের ৪৪ ইউনিয়নে বদলে গেল মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের তারিখ «» প্রেমিকার আপত্তিকর ভিডিও ফেসবুকে পোস্ট, প্রেমিক গ্রেফতার




সন্দেহ করে প্রেমিকের থাপ্পড়, হাসপাতালে তরুণীর লাশ

ডেস্ক রিপোর্ট :: হাসপাতাল থেকে সোনিয়া আক্তার (২০) নামের এক তরুণীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে। রোববার দিবাগত রাত ১টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের একটি হাসপাতাল থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। নিহত সোনিয়া আক্তার জেলার নাসিরনগর উপজেলার গোকর্ণ এলাকার আজিজুর রহমানের মেয়ে। তিনি কলেজে পড়াশোনার পাশাপাশি হাসপাতালটিতে সহকারী নার্সের কাজ করতেন। পুলিশের ধারণা, বিষপানে ওই তরুণী আত্মহত্যা করেছেন। এ ঘটনায় এক তরুণকে আটক করেছে পুলিশ। হাসপাতাল ও পুলিশের একটি সূত্র জানায়, সোনিয়া আক্তার প্রায় তিন বছর আগে আল ফালাহ হাসপাতালে সহকারী নার্স পদে যোগদান করেন। সেখানে চাকরি করার সুবাদে পাশের রেসিডেন্সিয়াল স্কুলের স্টাফ মোহাম্মদ শীতলের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্কে গড়ে ওঠে। শীতলের বাড়ি জেলার কসবা উপজেলার নেমতাবাদে। গত দুই বছর ধরে সোনিয়া ও শীতলের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক চলছিল। সম্প্রতি শীতল জানতে পারেন সোনিয়ার আরও একটি ছেলের সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে। এ সন্দেহ থেকে দুজনের মধ্যে মনোমালিন্য চলছিল। রোববার সন্ধ্যায় তারা জেলা শহরের দাতিয়ারার ফারুকী পার্কে দেখা করেন। এ সময় সোনিয়ার সঙ্গে আরও একটি ছেলের সম্পর্কের বিষয়ে দুজনের কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে সোনিয়াকে থাপ্পড় দেন শীতল। এরপর সোনিয়া তার হাসপাতালে গিয়ে চালে দেওয়ার কেড়ির ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যা করেন। এ ঘটনায় প্রেমিক শীতলকে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার বেলা ১১টার দিকে সোনিয়ার মামা মনির হোসেন অভিযোগ করে বলেন, আমার ভাগ্নির মৃত্যুর খবর পেয়েছি মধ্যরাতে। এরআগে রাত ৯টার দিকে সে তার বোনের সঙ্গে কথা বলেছে। আমার ভাগ্নি আত্মহত্যা করেছে নাকি তাকে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করা হচ্ছে তা এখনো নিশ্চিত নয়। হাসপাতাল থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। অথচ হাসপাতালের কেউ আমাদের এখনো কিছু জানায়নি এবং মর্গেও কেউ আসেনি। আমরা ভাগ্নির মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে চাই। এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ওসি এমরানুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে আমরা ধারণা করছি ওই তরুণী কেড়ির বড়ি খেয়ে আত্মহত্যা করেছেন। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত সঠিক কারণ বলা যাচ্ছে না।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ